মৌরি

বারি মৌরি-১

বৈশিষ্ট্য : মৌরি গাছ উচ্চতায় ১০০-১৩০ সেন্টি মিটার পর্যন্ত হতে পারে। প্রতি গাছে গড় শাখা-প্রশাখা ৬-৭ টি, আম্বেল ৩৯ টি, প্রতি আম্বেলে আম্বেললেটের সংখ্যা প্রায় ২৭ টি এবং প্রতি আম্বেললেটে বীজের সংখ্যা প্রায় ১২ টি। প্রতি ১০০০ বীজের গড় ওজন ৫-৬ গ্রাম। বীজ এর ফলন প্রতি হেক্টরে ১.৫৩-২.০৫ টন। এজাতের জীবন কাল ১৪০-১৫০ দিন এবং বীজ সংগ্রহের সময় ২-৩ ধাপে ফসল সংগ্রহ করতে হয়।
উপযোগী এলাকা  : বৃহত্তর কুষ্টিয়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, ফরিদপুর, নাটোর, যশোর, শরিয়তপুর, মাদারীপুর, বগুড়া, ময়মনসিংহ , লালমনিরহাট, মাগুরা, সহ অন্যান্য অঞ্চল যেখানে মৌরি চাষ হয়।
বপনের সময়  : কার্তিক (মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য নভেম্বর)
মাড়াইয়ের সময়:  চৈত্র-মধ্য বৈশাখ (মধ্য মার্চ-এপ্রিল)
বীজ/চারার হার: ৯-১২ কেজি/হে. (ছিটিয়ে বপনের ক্ষেত্রে), ৭-৯ কেজি/হে. (সারিতে বপনের ক্ষেত্রে)
বপন/ রোপনের দূরত্ব: সারি-সারি ৪০ সেমি, গাছ-গাছ ১০ সেমি (চারা পাতলা করণের মাধ্যমে)
ফলন: ১.৫- ২.০ টন/হে:


বারি মৌরি-১

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: 


আম্বেল ব্লাইট রোগ

আম্বেল ব্লাইট রোগ মৌরি চাষে প্রধান অন্তরায়। এর ফলে বীজের ফলন ১০০% পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়।
 দমন ব্যবস্থা: আম্বেল ব্লাইটঃ রোগের লক্ষণ দেখা দিলে প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি এমিস্টারটপ মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: কীট পতঙ্গের মধ্যে মৌরিতে জাব পোকার আক্রমন লক্ষ করা যায়।
 দমন ব্যবস্থা: প্রতি লিটার পানিতে ১-২ মিলি লিটার ম্যালাথিয়ন-৫৭ ইসি বা ০.৫ গ্রাম লিটার কনফিডর ভালোভাবে মিশিয়ে গাছে স্প্রে করতে হবে।

 সার ব্যবস্থাপনা

মৌরি চাষের জন্য হেক্টর প্রতি নীচের হারে সার প্রয়োগ করতে হবে।

সারের নাম মোট পরিমাণ (কেজি) শেষ চাষের সময় প্রয়োগ (কেজি) পরবর্তী পরিচর্যা হিসেবে প্রয়োগ
১ম কিস্তি ২য় কিস্তি
গোবর/কম্পোষ্ট ৫টন সব
ইউরিয়া ১৮০কেজি ৯০কেজি ৯০কেজি
টিএসপি ১৭৫কেজি সব
এমওপি ১৪০কেজি সব
জিপসাম ১১০কেজি সব
জিংক ৩কেজি সব
বোরণ ১.৫কেজি সব

জমি তৈরীর সময় গোবর, এমওপি, টিএসপি, জিপসাম, জিংক ও বোরণ সার প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া ২ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা গজানোর ২৫ দিন পর ১ম কিস্তি এবং ফুল ফোটার পর পর বাকি সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

বারি মৌরি-২

বৈশিষ্ট্য : মৌরি গাছ উচ্চতায় ১০০-১২৩ সেন্টি মিটার পর্যন্ত হতে পারে। প্রতি গাছে গড় শাখা-প্রশাখা ৬-৭ টি, আম্বেল ৩০ টি, প্রতি আম্বেলে আম্বেললেটের সংখ্যা প্রায় ২২ টি এবং প্রতি আম্বেললেটে বীজের সংখ্যা প্রায় ১৩ টি। প্রতি ১০০০ বীজের গড় ওজন ৫-৬ গ্রাম। বীজ এর ফলন
উপযোগী এলাকা  : বৃহত্তর কুষ্টিয়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, ফরিদপুর, নাটোর, যশোর, শরিয়তপুর, মাদারীপুর, বগুড়া, ময়মনসিংহ , লালমনিরহাট, মাগুরা, সহ অন্যান্য অঞ্চল যেখানে মৌরি চাষ হয়।
বপনের সময়  : মধ্য অক্টবর থেকে মধ্য নভেম্বর
মাড়াইয়ের সময়:  চৈত্র-মধ্য বৈশাখ (মধ্য মার্চ -এপ্রিল)
বীজ/চারার হার: ৯-১২ কেজি/হে. (ছিটিয়ে বপনের ক্ষেত্রে), ৭-৯ কেজি/হে. (সারিতে বপনের ক্ষেত্রে)
বপন/ রোপনের দূরত্ব: সারি-সারি ৪০ সেমি, গাছ-গাছ ১০ সেমি (চারা পাতলা করণের মাধ্যমে)
ফলন: ১.৬-১.৮ টন/হে:


বারি মৌরি-২

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: 


আম্বেল ব্লাইট রোগ

আম্বেল ব্লাইট রোগ মৌরি চাষে প্রধান অন্তরায়। এর ফলে বীজের ফলন ১০০% পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়।
 দমন ব্যবস্থা: আম্বেল ব্লাইটঃ রোগের লক্ষণ দেখা দিলে প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি এমিস্টারটপ মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: কীট পতঙ্গের মধ্যে মৌরিতে জাব পোকার আক্রমন লক্ষ করা যায়।
 দমন ব্যবস্থা: প্রতি লিটার পানিতে ১-২ মিলি লিটার ম্যালাথিয়ন-৫৭ ইসি বা ০.৫ গ্রাম লিটার কনফিডর ভালোভাবে মিশিয়ে গাছে স্প্রে করতে হবে।

 সার ব্যবস্থাপনা

মৌরি চাষের জন্য হেক্টর প্রতি নীচের হারে সার প্রয়োগ করতে হবে।

সারের নাম মোট পরিমাণ (কেজি) শেষ চাষের সময় প্রয়োগ (কেজি) পরবর্তী পরিচর্যা হিসেবে প্রয়োগ
১ম কিস্তি ২য় কিস্তি
গোবর/কম্পোষ্ট ৫টন সব
ইউরিয়া ১৮০কেজি ৯০কেজি ৯০কেজি
টিএসপি ১৭৫কেজি সব
এমওপি ১৪০কেজি সব
জিপসাম ১১০কেজি সব
জিংক ৩কেজি সব
বোরণ ১.৫কেজি সব

জমি তৈরীর সময় গোবর, এমওপি, টিএসপি, জিপসাম, জিংক ও বোরণ সার প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া ২ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা গজানোর ২৫ দিন পর ১ম কিস্তি এবং ফুল ফোটার পর পর বাকি সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

Tags:

We will be happy to hear your thoughts

Leave a Reply

শখের কৃষি
Logo
Reset Password
Shopping cart