বিলাতি ধনিয়া

বারি বিলাতি ধনিয়া-১

বৈশিষ্ট্য : বারি বিলাতি ধনিয়া-১ এর পাতা আর্কষনীয় সবুজ রঙের প্রখর সুগন্ধিযুক্ত, সুস্বাদু, উচ্চতর পুষ্টি ও ওষধি গুনাগুন সমৃদ্ধ। এ জাতটি বাংলাদশেরে আবহাওয়ায় উপযোগী ও উচ্চফলনশীল (প্রতি হেক্টরে পাতা ৩০-৫০ টন এবং বীজের ফলন ৩০০-৪০০ কেজি।
উপযোগী এলাকা  : বাংলাদেশের সমস্ত সুনিস্কাশিত জমিতে এর আবাদ করা যায়। চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, বান্দরবন ও খাগড়াছড়ি, নোয়খালী, লক্ষ্মীপুর, কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর ও পাবনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বানিজ্যিকভাবে বিলাতিধনিয়ার চাষাবাদ হয়।
বপনের সময়  : অগ্রহায়ন-মাঘ (নভেম্বর-ফেব্রুয়ারী)
মাড়াইয়ের সময়:  বৈশাখ-আশ্বিন (মে-অক্টোবর)।
বীজ/চারার হার: 
বীজ: ৮-১০ কেজি /হেক্টর
চারা: ৮০-১১০ লক্ষ
বপন/ রোপনের দূরত্ব: ৫ সে.মি দুরত্বে সারিতে বা ছিটিয়ে বপন করা যায়।
ফলন: ৩০-৫০ টন/হেক্টর।


বারি বিলাতি ধনিয়া-১

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: 


বিলাতি ধনিয়ার লিফ স্পট এবং উইল্ট বা ঢলে পড়া রোগ

ড্যাম্পিং অফ বা ধসাধরা রোগ, ব্যাকটেরিয়াল লিফ স্পট এবং উইল্ট বা ঢলে পড়া রোগ।
 দমন ব্যবস্থা: 
১. সুনিষ্কাশিত জমিতে আবাদ এবং প্লটগুলি উচু করে ভালভাবে পানি নিকাশের ব্যবস্থা রাখা ।
২. শস্য পর্যায় অবলম্বন বা একই জমিতে বারবার বিলাতি ধনিয়ার চাষ না করা।
৩. রোগমুক্ত গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ এবং পূর্ববর্তী ফসলের অবশিষ্টাংশ পুড়িয়ে ফেলা।
৪. রোভরাল (Rovral) নামক ছত্রাকনাশক ০.৩% মাত্রায় (প্রতি লিটারে ৩ গ্রাম) ভালভাবে পাতা ও গাছ ভিজিয়ে ৭ দিন অন্তর ২/৩ টি স্প্রে প্রদান করে এ রোগের প্রকোপ কমানো যায়।
৫. টিল্ট ১.০ মি.লি./লিটার পানিতে নামক ছত্রাকনাশক ব্যবহারে কিছুটা সুফল পাওয়া গেছে। টেট্রাসাইক্লিন ও ০.২% কপার অক্সিক্লোরাইড ১০ দিন অন্তর প্রয়োগ।
৬. পাতা উৎপাদনের ক্ষেত্রে রোগ আক্রমনের আগেই সংগ্রহ করা ভাল।

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: বারি বিলাতি ধনিয়া-১ এ পোকামাকড় তেমন দেখা যায়নি।
 দমন ব্যবস্থা: প্রযোজ্য নয়

 সার ব্যবস্থাপনা

শতাংশ প্রতি ৮০ কেজি পচা গোবর বা আর্বজনা পচা সার (কম্পোস্ট) ২০০ গ্রাম ইউরিয়া, ৮০০ গ্রাম টিএসপি ও ৮০০-১০০০ গ্রাম এমওপি শেষ চাষের সময় বীজ বপনের ৪/৫ দনি র্পূবে জমিতে মিশিয়ে দিতে হবে। চারা গজানোর ৩০ দনি পর থেকে ১ মাস অন্তর অথবা প্রতি দুইবার ফসল সংগ্রহের পর প্রতি শতাংশে ২০০ গ্রাম হারে ইউরিয়া উপরি প্রয়োগ করতে হবে। এভাবে প্রতি হেক্টর জমিতে মোট ২০ টন কপোস্ট, ৩৫০ কেজি ইউরিয়া, ২০০ কেজি টিএসপি এবং ২৫০ কেজি এমওপি (পটাশ) সারের প্রয়োজন হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

We will be happy to hear your thoughts

Leave a Reply

শখের কৃষি
Logo
Reset Password
Shopping cart