বারি বেল-১

বারি বেল-১

বৈশিষ্ট্য : প্রতি বছর ফলন দিয়ে থাকে। ফলগুলো মধ্যম আকারের, গোলাকার আকৃতির। ফলের ওজন ৭৫০ গ্রাম হতে ১১০০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। তবে গড় ওজন ৯০০ গ্রাম। খোসা পাতলা এবং খাদ্যপোযোগি অংশ-৭৮% এবং টিএসএস-৩৫%
উপযোগী এলাকা  : বাংলাদেশের সকল এলাকায় চাষ করা যাবে
বপনের সময়  : কলমের চারা জুন-জুলাই মাসে রোপন করতে হবে।
মাড়াইয়ের সময়:  সংগ্রহের সময় মার্চ মাসের ২০ তারিখ হতে এপ্রিলের ২০ তারিখ পর্যন্ত।
ফলন: ৩৪ কেজি গাছ প্রতি (গাছের বয়স ৬ বছর)


বারি বেল-১

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: গামোসিস কখনও কখনও খুবই অল্প পরিমানে দেখা যায়।
 দমন ব্যবস্থা: আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার করে বোর্দোপেষ্ট (১০০ গ্রাম চুন+১০০ গ্রাম তুঁতে + ১ লিটার পানি) লাগাতে হবে।

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: লেপিডোপটেরা পরিবারের পোকা বেলের পাতা খায় এবং ফল ছিদ্র করে। নতুন পাতা বের হলে এবং ফলের বৃদ্ধি পর্যায়ে সাইপারমেথ্রিন/কার্বারিল/ ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক নির্দেশিত মাত্রায় মাত্র দুইবার ব্যবহার করলে পোকাটির আক্রমণ থেকে বেলের পাতা ও ফলকে রক্ষা করা যাবে।
 দমন ব্যবস্থা: নতুন পাতা বের হলে সাইপারমেথ্রিন/কার্বারিল/ ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক নির্দেশিত মাত্রায় মাত্র একবার ব্যবহার করলে পোকাটির আক্রমণ থেকে বেলের পাতাকে রক্ষা করা যাবে।

 সার ব্যবস্থাপনা

চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পূর্বে প্রতিটি গর্তে পচা গোবর সার ১০-১৫ কেজি, ইউরিয়া ২০০ গ্রাম, টি এস পি ১৫০ গ্রাম, এমপি ১৫০ গ্রাম প্রয়োগ করে ভালভাবে মাটির সাথে মিশিয়ে গর্ত ভরাট করে রাখতে হবে।
গাছের বৃদ্ধি পর্যায়ে গোবর সার ১৫ কেজি, ইউরিয়া ২৫০ গ্রাম, টিএসপি ২০০ গ্রাম, এমওপি ১৫০ গ্রাম, জিপসাম ১০০ গ্রাম, জিংক সালফেট ২০ গ্রাম ও বোরিক এসিড ১৫ গ্রাম হারে প্রতি বছর প্রতিটি গাছে প্রয়োগ করতে হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

We will be happy to hear your thoughts

Leave a Reply

Logo
Reset Password
Compare items
  • Total (0)
Compare
0