বারি প্যাশনফল-১

বারি প্যাশনফল-১

বৈশিষ্ট্য : নিয়মিত ফলদানকারী উচ্চ ফলনশীল জাত। গাছ দীর্ঘ প্রসারী, বহুবর্ষজীবী এবং কাষ্ঠল লতা জাতীয়। পাকা ফল দেখতে হলুদ রংয়ের এবং গাত্র খুবই মসৃণ। ফল উপবৃত্তকার, আকার ৬.৮ সে.মি. ×৬.৩ সে.মি.। ফলের গড় ওজন ৬৮ গ্রাম এবং প্রতি ফল থেকে ৩০ গ্রাম জুস আহরণ করা যায় । জুসের রং হলুদ, টক-মিষ্টি স্বাদের (ব্রিক্সমান ১৪%)। এ জাতটি পার্বত্য জেলাসমূহে চাষাবাদের উপযোগী। হেক্টর প্রতি ফলন ৫-৬ টন। জাতটি ফিউজেরিয়াম উইল্ট ও নেমাটোড প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন।
উপযোগী এলাকা  : এ জাতটি পার্বত্য জেলাসমূহে চাষাবাদের উপযোগী।
বপনের সময়  : সাধারণত জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত চারা লাগানোর উত্তম সময় তবে যদি সেচ সুবিধা থাকে তাহলে সারা বছরই চারা লাগানো যায়।
মাড়াইয়ের সময়:  প্যাশনফলে ফুল আসার প্রধান মৌসুম হল মার্চ মাস এবং তা থেকে জুলাই -আগস্ট মাসে ফল আহরণ করা হয়। আবার অনেক সময় আগস্ট মাসেও কিছু ফুল আসে তা থেকে ডিসেম্বর- জানুয়ারি মাসে ফল আহরণ করা যায়।


বারি প্যাশনফল-১

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: উডিনেস (Woodiness) : অনেক সময় উডিনেস (Woodiness)নামক একটি রোগ দেখা যায় যা কিউকামবার মোজাইক ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়। এ রোগ আক্রার্ত পাতা চর্মবৎ ও বিবর্ণ হয়ে আকারে ছোট হয়। ফলের খোসা মোটা ও শক্ত হয় এবং অল্প পাল্প উৎপন্ন হয়। জাব পোকা (Aphid) দ্বারা এ রোগ ছড়ায়। এ রোগের প্রতিকারের জন্য বাহক পোকা দমন করতে হয়।
 দমন ব্যবস্থা: 

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: ফলের মাছি পোকা বা ফ্রুট ফ্লাই অনেক সময় কচি ফলের গায়ে ছিদ্র করে ডিম পাড়ে এবং তাতে ফল কুচকে যায় ও অপরিপক্ক অবস্থায় ফল ঝরে পরে। আবার অনেক সময় মিলিবাগ এবং মাইটও আক্রমণ করে থাকে।
 দমন ব্যবস্থা: এ ক্ষেত্রে প্রতিকারের জন্য অনুমোদিত কীটনাশক ও মাকড়নাশক ১০-১৫ দিন পর পর ৩-৪ বার প্রয়োগ করতে হবে।বর্তমানে সেক্সফেরোমেন ফাদ ব্যবহার করেও মাছি পোকা সাফল্যজনক ভাবে দমন করা যায়।

 সার ব্যবস্থাপনা

সারের নাম গাছের বয়স(বছর)
১-২ ৩-৫ ৬-৯ ১০ বছর এর উর্দ্ধে
গোবর (কেজি) ১০ ১৫
ইউরিয়া (গ্রাম) ১৫০ ৩০০ ৪৫০ ৬০০
টিএসপি (গ্রাম) ১৫০ ৩০০ ৪৫০ ৪৫০
এমওপি(গ্রাম) ১৫০ ৩০০ ৪৫০ ৬০০

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

We will be happy to hear your thoughts

Leave a Reply

শখের কৃষি
Logo
Reset Password
Shopping cart