বারি পেয়ারা- ৪ 

বারি পেয়ারা- ৪ 

বৈশিষ্ট্য :
প্রতি বছর ফলদানকারী, বীজহীন অমৌসুমে পাওয়া যায় (সেপ্টেম্বর-জানুয়ারী)।
অধিক সংখ্যক সবুজ পাতা এবং ফলধারী গাছ (গাছ প্রতি গড় ফল সংখ্যা ২৯৬ টি)।
কিছুটা আকাবাকা/অমসৃন মাঝারী আকারের ফল (ফলের গড় ওজন ২৮৪ গ্রাম)।
ফল কচকচে স্বাদযুক্ত এবং অনেক দিন সংরক্ষণ (৯ দিন) করা যায়।
উপযোগী এলাকা  : সমগ্র বাংলাদেশে চাষ উপোযোগী
বপনের সময়  : মে থেকে আগষ্ট
মাড়াইয়ের সময়:  সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারী
বপন/ রোপনের দূরত্ব: ৪ মি × ৪ মি
ফলন: হেক্টর প্রতি ফলন ৩৩ টন।


বারি পেয়ারা- ৪

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: কোন রোগবালাই এর প্রাদূর্ভাব দেখা যায় নাই
 দমন ব্যবস্থা: 

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: মিলিবাগঃ সাধারণত শীতকালে এদের আক্রমনে পাতায় সাদা সাদা তুলার মত দাগ দেখা যায়। এরা গাছের পাতার রস শুষে গাছকে দুর্বল করে। রস শোষনের সময় পাতায় বিষ্টা ত্যাগ করে এবং সেই বিষ্টার উপরই শুটিমোল্ড নামক ছত্রাক জন্মে।
 দমন ব্যবস্থা: আক্রান্ত পাতা ও ডগা ছাঁটাই করে ধ্বংস করতে হবে। রগর/রক্সিয়ন ৪০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ২ মিঃলিঃ হারে মিশিয়ে আক্রান্ত পাতা ও গাছের ডালপালা প্রতি ১০ দিন অন্তর ২-৩ বার স্প্রে করে ভিজিয়ে দিতে হবে।

 সার ব্যবস্থাপনা

গাছে সার প্রয়োগঃ প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি, মে ও সেপ্টেম্বর মাসে তিন কিসিত্মতে গাছে সার প্রয়োগ করতে হবে। সার একেবারে গাছের গোড়ায় না দিয়ে যতদুর পর্যন্ত গাছের ডালপালা বিস্তার লাভ করে সে এলাকার মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। নিচের ছকে বিভিন্ন বয়সের গাছের গাছপ্রতি সারের পরিমাণ দেখান হ’ল ।

সারের নাম গাছের বয়স(বছর)
১-২ ৩-৫ ৬বছর বা তদুর্ধ্ব
গোবর (কেজি) ১০-১৫ ২০-৩০ ৪০
ইউরিয়া (গ্রাম) ১৫০-২০০ ২৫০-৪০০ ৫০০
টিএসপি (গ্রাম) ১৫০-২০০ ২৫০-৪০০ ৫০০
এমপি(গ্রাম) ১৫০-২০০ ২৫০-৪০০ ৫০০

প্রতি বার সার প্রয়োগের পর পর সেচ দিতে হবে। খরার সময় বিশেষ করে গাছে গুটি আসার সময় পানি সেচ অত্যাবশ্যক। গাছের গোড়া থেকে মাঝে মাঝে আগাছা পরিস্কার করা ও গোড়ার মাটি ভেঙ্গে দেয়া দরকার।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

We will be happy to hear your thoughts

Leave a Reply

শখের কৃষি
Logo
Reset Password
Shopping cart