বারি কুল-৫

বৈশিষ্ট্য : মাঝারী আকারের এবং ছড়ানো প্রকৃতির গাছ। উচ্চ ফলনশীল (২০০-২২০ কেজি/গাছ), প্রতিবছর ফল দানকারী জাত। হলুদাভ সবুজ বর্ণের এবং ডিম্বাকার, মসৃন ও মাংসল, কচকচে, টক স্বাদ যুক্ত ফল। বীজ খুব ছোট। খাদ্যোপযোগী অংশ ৯৪% এবং টিএসএস ১৮%।
উপযোগী এলাকা  : সমগ্র বাংলাদেশ
বপনের সময়  : মে – আগষ্ট
মাড়াইয়ের সময়:  জানুয়ারী- ফেব্রুয়ারী
বীজ/চারার হার: প্রতি হেক্টরে ৪০০ টি
বপন/ রোপনের দূরত্ব: ৫ মি × ৫ মি
ফলন: হেক্টর প্রতি ফলন ২০ টন।

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: পাউডারি মিল্ডিউঃ সাধারণত অক্টোবর – নভেম্বর মাসে এ রোগের উপদ্রব লক্ষ্য করা যায়। এ রোগের আক্রমণ হ’লে প্রথমে পাতার নিচে সাদা পাউডারের মত আবরণ দেখা যায় যা পরবর্তী সময়ে কাল বা বাদামী রং ধারণ করে। আস্তে আস্তে এ রোগ ফুল ও ফলে বিস্তার লাভ করে। এতে ফুল এবং ফল বাদামী রং ধারণ করে এবং ঝরে পরে। ফলের পরিপক্ক অবস্থায় এ রোগের আক্রমণ হ’লে ফল ফেটে যায়।
 দমন ব্যবস্থা: বাগান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। গাছে ফুল আসার সময় প্রতি লিটার পানির সাথে ২ গ্রাম সালফোলাক বা কুমুলাক্স মিশিয়ে ১০-১৫ দিন পরপর ২-৩ বার পাতার নিচের দিক ভালভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: কোন পোকামাকড় এর আক্রমন দেখা যায় নাই।
 দমন ব্যবস্থা: 

 সার ব্যবস্থাপনা

সুষ্ঠু বৃদ্ধি ও অধিক ফলনশীলতার জন্য গাছে নিয়মিত সার প্রয়োগ অপরিহার্য। সারের মাত্রা নির্ভর করে গাছের বয়স ও মাটির উর্বরতার উপর। বিভিন্ন বয়সের গাছে সারের মাত্রাঃ

গাছের বয়স গাছ প্রতি সারের পরিমাণ
গোবর (কেজি) ইউরিয়া (গ্রাম) টিএসপি (গ্রাম) এমওপি (গ্রাম)
১-২ বছর ১০ ৩০০ ২৫০ ২৫০
৩-৪ ১৫ ৫০০ ৪০০ ৪০০
৫-৬ ২০ ৭৫০ ৭০০ ৭০০
৭-৮ ২৫ ১০০০ ৮৫০ ৮৫০
৯ বা তদুর্ধ্ব ৩০ ১২৫০ ১০০০ ১০০০

এছাড়া অঞ্চলভিত্তিক যেসব সারের অধিক ঘাটতি রয়েছে সে সব সারও প্রয়োগ করতে হবে। উল্লেখিত সার সমান দুই কিস্তিতে মে-জুন মাসে ও সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে প্রয়োগ করতে হবে। সার মাটির সাথে ভালভাবে মেশাতে হবে এবং প্রয়োজনে সেচ দিতে হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

We will be happy to hear your thoughts

Leave a Reply

শখের কৃষি
Logo
Reset Password
Shopping cart