বারি কমলা -৩

বারি কমলা -৩

বৈশিষ্ট্য : জাতটি উচ্চফলনশীল ও নিয়মিত ফলদানকারী। গাছ লম্বাটে স্বভাবের। নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ফল সংগ্রহ করা হয়। ফলের কোয়া নরম, রসালো এবং মিষ্টি। খাদ্যোপযোগী অংশ প্রায় ৭৯.৮%। ফল মাঝারী আকারের প্রতিটি ফলের গড় ওজন ১৬৮.০৭ গ্রাম এবং টিএসএস ১১.৪%। তবে কিছুটা ফল ঝরার প্রবণতা লক্ষণীয় এবং মাইটের আক্রমণ খুব কম হয়।
উপযোগী এলাকা  : পার্বত্যজেলা সহ সিলেট ও পঞ্চগড় জেলা বিশেষভাবে উপযোগী ।
বপনের সময়  : মে-আগষ্ট
মাড়াইয়ের সময়:  নভেম্বর – ডিসেম্বর
বীজ/চারার হার: প্রতি হেক্টরে ৪০০ টি
বপন/ রোপনের দূরত্ব: ৫ মি × ৫ মি
ফলন: হেক্টর প্রতি ফলন ৫.৩৬ টন (৭ বছর বয়সী গাছ)।


বারি কমলা -৩

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: রোগবালাই এর প্রাদূর্ভাব খুবই কম।
 দমন ব্যবস্থা: 

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: কচি পাতায় লিফ মাইনর পোকার সামান্য আক্রমন পরিলক্ষিত হয়।
 দমন ব্যবস্থা: আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি.) স্প্রে করে এ পোকা দমন করা যেতে পারে।

 সার ব্যবস্থাপনা

গাছের যথাযথ বৃদ্ধির জন্য সময়মত, সঠিক পরিমাণে এবং সঠিক পদ্ধতিতে সার প্রয়োগ করতে হবে। গাছের বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে সারের পরিমাণ বাড়াতে হবে। বয়স ভেদে গাছপ্রতি সারের পরিমাণ নিম্নে দেওয়া হলঃ

গাছের বয়স (বছর) গোবর সার(কেজি) ইউরিয়া (গ্রাম) টিএসপি (গ্রাম) এমওপি (গ্রাম)
১-২ ১০ ২০০ ১০০ ১৫০
৩-৪ ১৫ ৩০০ ১৫০ ২০০
৫-১০ ২০ ৫০০ ৪০০ ৩০০
১০ এর অধিক ৩০ ৬৫০ ৫০০ ৫০০

উপরোল্লিখিত সারের অর্ধেক ফল সংগ্রহের পর অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি মাসে এবং বাকী অর্ধেক ফল মার্বেল আকার ধারণ করার পর অর্থাৎ অক্টোবর মাসে প্রয়োগ করতে হবে। ফলবান গাছের ডালপালা যে পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে তার নীচের জমি কোদাল দিয়ে হালকা করে কুপিয়ে সার প্রয়োগ করতে হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

We will be happy to hear your thoughts

Leave a Reply

শখের কৃষি
Logo
Reset Password
Shopping cart