বাংলাদেশে হলুদের জাত (বারি)

জাতের নাম     : বারি হলুদ-১ (ডিমলা)

বৈশিষ্ট্য : গাছের উচ্চতা প্রায় ৮৫-৯০ সেন্টিমিটার। পাতার সংখ্যা ৯-১০ টি। প্রতি গাছে ছড়ার সংখ্যা ৭-৮ টি এবং মোথার ওজন প্রায় ১২৫-১৩০ গ্রাম। প্রতি গোছায় হলুদের ওজন প্রায় ৪০০-৪২০ গ্রাম। ইহার রং গাঢ় হলুদ।
উপযোগী এলাকা  : বাংলাদেশের সর্বত্র
বপনের সময়  : মার্চ শেষ সপ্তাহ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ
মাড়াইয়ের সময়:  জানুয়ারি মাসে শেষ সপ্তাহ থেকে মার্চ প্রথম সপ্তাহ
বীজ/চারার হার: ২০০০-২৪০০ কেজি/হেক্টর
বপন/ রোপনের দূরত্ব: সারি থেকে সারি ৫০ সেমি এবং গাছ থেকে গাছ ২৫ সেমি
ফলন: ১৭-২০ টন/হেক্টর


বারি হলুদ-১ (ডিমলা)

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: 


রাইজোম রট

লিফ স্পট

লিফ ব্লচ

হলুদের রাইজোম রট, পাতায় দাগ (লিফ স্পট), লিফ ব্লচ, ইত্যাদি রোগ দেখা যায়। তবে রাইজোম রট হলুদের বেশী ক্ষতি করে।
 দমন ব্যবস্থা: 
রাইজোম রট এর ক্ষেত্রে

১। বীজ ও মাটি শোধন করতে হবে।
২। আক্রান্ত গাছ মাটি সহ উঠিয়ে গর্ত করে পুতে ফেলতে হবে
৩। আক্রান্ত গাছ পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং
৪। রোগাক্রান্ত জমি থেকে বীজ সংগ্রহ করা যাবে না।
৫। রোগের লক্ষণ দেখা গেলে ব্লাইটক্স ৫০, রিডোমিল গোল্ড ৪ গ্রাম/লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে ১৫-২০ দিন পরপর গাছের গোড়ায় স্প্রে করতে হবে।
লিফ স্পট এবং লিফ ব্লচ এর ক্ষেত্রে

১। রোগ প্রতিরোধী জাত নির্বাচন ও শস্য পর্যায় অনুসরণ করতে হবে।
২। রোগমুক্ত রাইজোম বীজ হিসাবে রোপন করতে হবে।
৩। রোপনের পূর্বে বীজ কার্বেন্ডাজিম/ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাক নাশক দ্বারা শোধন করে নিতে হবে।
৪। রোগের আক্রমন দেখা মাত্রই কপার অথবা ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাক নাশক ২ মিলি/লিটার হারে ১০-১৫ দিন অন্তর অন্তর স্প্রে করতে হবে। তবে স্প্রে করার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যে পত্রফলকের উভয় পার্শ্বে ছত্রাক নাশক যেন ভালভাবে লাগে।
৫। আক্রমণের মাত্রা তীব্র হলে প্রপিকোনাজল (স্কোর) অথবা টেবুকোনাজল (ফলিকুর) জাতীয় ছত্রাক নাশক ৭-১০ দিন পর পর ১ মিলি/ লিটার হার স্প্রে করতে হবে।

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: মাজরা পোকা ও পাতা মোড়ানো পোকা
 দমন ব্যবস্থা: 
। ম্যালাথিয়ন (২.০ মিলিলিটার/লিটার) স্প্রে করতে হবে।
২। দানাদর ইনসেকটিসাইড (ফুরাডান) মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে।

 সার ব্যবস্থাপনা

হলুদ চাষের জন্য হেক্টর প্রতি নিম্নোক্ত জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা যেতে পারে।

সারের নাম মোট পরিমাণ (কেজি) শেষ চাষের সময় প্রয়োগ (কেজি) পরবর্তী পরিচর্যা হিসেবে প্রয়োগ
১ম কিস্তি ২য় কিস্তি ৩য় কিস্তি
পঁচা গোবর ৫টন সব
ইউরিয়া ৩০৪ ১৫২ ৭৬ ৭৬
টিএসপি ২৬৭ সব
এমওপি ২৩৩ ১১৬ ৫৯ ৫৮
জিপসাম ১১০ সব

শেষ চাষের সময় সম্পূর্ণ গোবর, টিএসপি, অর্ধেক এমওপি, জিপসাম সার জমির মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। ইউরিয়া সারের অর্ধেক বীজ রোপনের ৫০ দিন পর পার্শ্ব প্রয়োগ করতে হবে। অবশিষ্ট ইউরিয়া এবং এমওপি দুই কিস্তিতে সমানভাগে বীজ রোপনের ৮০ ও ১১০ দিন পর পার্শ্ব প্রয়োগ করতে হবে। এ সময় দুই দিক থেকে মাটি উঠিয়ে দিতে হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

জাতের নাম     : বারি হলুদ-২ (সিন্দুরী)

বৈশিষ্ট্য : গাছের গড় উচ্চতা ৮৫-৮৭ সেন্টিমিটার। প্রতি গাছে গোছা ২-৩টি এবং ছড়ার সংখ্যা ৭-৮টি। মোথার ওজন ৮৫-৯০ গ্রাম। প্রতি গোছায় হলুদের ওজন ৩৭৫-৩৮০ গ্রাম। রং গাঢ় হলুদ।
উপযোগী এলাকা  : বাংলাদেশের সর্বত্র
বপনের সময়  : মার্চ এর শেষ সপ্তাহ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ
মাড়াইয়ের সময়:  জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে মার্চ এর প্রথম সপ্তাহ
বীজ/চারার হার: ২০০০-২৪০০ কেজি/হেক্টর
বপন/ রোপনের দূরত্ব: সারি থেকে সারি ৫০ সেমি এবং গাছ থেকে গাছ ২৫ সেমি
ফলন: ১২-১৩ টন/হেক্টর


বারি হলুদ-২ (সিন্দুরী)

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: 


রাইজোম রট

লিফ স্পট

লিফ ব্লচ

হলুদের রাইজোম রট, পাতায় দাগ (লিফ স্পট), লিফ ব্লচ, ইত্যাদি রোগ দেখা যায়। তবে রাইজোম রট হলুদের বেশী ক্ষতি করে।
 দমন ব্যবস্থা: 
রাইজোম রট এর ক্ষেত্রে

১। বীজ ও মাটি শোধন করতে হবে।
২। আক্রান্ত গাছ মাটি সহ উঠিয়ে গর্ত করে পুতে ফেলতে হবে
৩। আক্রান্ত গাছ পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং
৪। রোগাক্রান্ত জমি থেকে বীজ সংগ্রহ করা যাবে না।
৫। রোগের লক্ষণ দেখা গেলে ব্লাইটক্স ৫০, রিডোমিল গোল্ড ৪ গ্রাম/লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে ১৫-২০ দিন পরপর গাছের গোড়ায় স্প্রে করতে হবে।
লিফ স্পট এবং লিফ ব্লচ এর ক্ষেত্রে

১। রোগ প্রতিরোধী জাত নির্বাচন ও শস্য পর্যায় অনুসরণ করতে হবে।
২। রোগমুক্ত রাইজোম বীজ হিসাবে রোপন করতে হবে।
৩। রোপনের পূর্বে বীজ কার্বেন্ডাজিম/ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাক নাশক দ্বারা শোধন করে নিতে হবে।
৪। রোগের আক্রমন দেখা মাত্রই কপার অথবা ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাক নাশক ২ মিলি/লিটার হারে ১০-১৫ দিন অন্তর অন্তর স্প্রে করতে হবে। তবে স্প্রে করার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যে পত্রফলকের উভয় পার্শ্বে ছত্রাক নাশক যেন ভালভাবে লাগে।
৫। আক্রমণের মাত্রা তীব্র হলে প্রপিকোনাজল (স্কোর) অথবা টেবুকোনাজল (ফলিকুর) জাতীয় ছত্রাক নাশক ৭-১০ দিন পর পর ১ মিলি/ লিটার হার স্প্রে করতে হবে।

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: মাজরা পোকা ও পাতা মোড়ানো পোকা
 দমন ব্যবস্থা: 
। ম্যালাথিয়ন (২.০ মিলিলিটার/লিটার) স্প্রে করতে হবে।
২। দানাদর ইনসেকটিসাইড (ফুরাডান) মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে।

 সার ব্যবস্থাপনা

হলুদ চাষের জন্য হেক্টর প্রতি নিম্নোক্ত জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা যেতে পারে।

সারের নাম মোট পরিমাণ (কেজি) শেষ চাষের সময় প্রয়োগ (কেজি) পরবর্তী পরিচর্যা হিসেবে প্রয়োগ
১ম কিস্তি ২য় কিস্তি ৩য় কিস্তি
পঁচা গোবর ৫টন সব
ইউরিয়া ৩০৪ ১৫২ ৭৬ ৭৬
টিএসপি ২৬৭ সব
এমওপি ২৩৩ ১১৬ ৫৯ ৫৮
জিপসাম ১১০ সব

শেষ চাষের সময় সম্পূর্ণ গোবর, টিএসপি, অর্ধেক এমওপি, জিপসাম সার জমির মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। ইউরিয়া সারের অর্ধেক বীজ রোপনের ৫০ দিন পর পার্শ্ব প্রয়োগ করতে হবে। অবশিষ্ট ইউরিয়া এবং এমওপি দুই কিস্তিতে সমানভাগে বীজ রোপনের ৮০ ও ১১০ দিন পর পার্শ্ব প্রয়োগ করতে হবে। এ সময় দুই দিক থেকে মাটি উঠিয়ে দিতে হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

জাতের নাম     : বারি হলুদ-৩

বৈশিষ্ট্য : গাছের উচ্চতা গড়ে প্রায় ১১০-১২৫ সেন্টিমিটার। প্রতি গাছে মোথার ওজন প্রায় ১৫০-১৮০ গ্রাম এবং প্রতি গোছায় হলুদের ওজন প্রায় ৪০০-৪৫০ গ্রাম হয়ে থাকে। রং গাঢ় হলুদ।
উপযোগী এলাকা  : বাংলাদেশের সর্বত্র
বপনের সময়  : মার্চ এর শেষ সপ্তাহ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ
মাড়াইয়ের সময়:  জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে মার্চ এর প্রথম সপ্তাহ
বীজ/চারার হার: ২০০০-২৪০০ কেজি/হেক্টর
বপন/ রোপনের দূরত্ব: সারি থেকে সারি ৫০ সেমি এবং গাছ থেকে গাছ ২৫ সেমি
ফলন: ২৫-৩০ টন/হেক্টর


বারি হলুদ-৩

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: 


রাইজোম রট

লিফ স্পট

লিফ ব্লচ

হলুদের রাইজোম রট, পাতায় দাগ (লিফ স্পট), লিফ ব্লচ, ইত্যাদি রোগ দেখা যায়। তবে রাইজোম রট হলুদের বেশী ক্ষতি করে।
 দমন ব্যবস্থা: 
রাইজোম রট এর ক্ষেত্রে

১। বীজ ও মাটি শোধন করতে হবে।
২। আক্রান্ত গাছ মাটি সহ উঠিয়ে গর্ত করে পুতে ফেলতে হবে
৩। আক্রান্ত গাছ পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং
৪। রোগাক্রান্ত জমি থেকে বীজ সংগ্রহ করা যাবে না।
৫। রোগের লক্ষণ দেখা গেলে ব্লাইটক্স ৫০, রিডোমিল গোল্ড ৪ গ্রাম/লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে ১৫-২০ দিন পরপর গাছের গোড়ায় স্প্রে করতে হবে।
লিফ স্পট এবং লিফ ব্লচ এর ক্ষেত্রে

১। রোগ প্রতিরোধী জাত নির্বাচন ও শস্য পর্যায় অনুসরণ করতে হবে।
২। রোগমুক্ত রাইজোম বীজ হিসাবে রোপন করতে হবে।
৩। রোপনের পূর্বে বীজ কার্বেন্ডাজিম/ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাক নাশক দ্বারা শোধন করে নিতে হবে।
৪। রোগের আক্রমন দেখা মাত্রই কপার অথবা ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাক নাশক ২ মিলি/লিটার হারে ১০-১৫ দিন অন্তর অন্তর স্প্রে করতে হবে। তবে স্প্রে করার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যে পত্রফলকের উভয় পার্শ্বে ছত্রাক নাশক যেন ভালভাবে লাগে।
৫। আক্রমণের মাত্রা তীব্র হলে প্রপিকোনাজল (স্কোর) অথবা টেবুকোনাজল (ফলিকুর) জাতীয় ছত্রাক নাশক ৭-১০ দিন পর পর ১ মিলি/ লিটার হার স্প্রে করতে হবে।

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: মাজরা পোকা ও পাতা মোড়ানো পোকা
 দমন ব্যবস্থা: 
। ম্যালাথিয়ন (২.০ মিলিলিটার/লিটার) স্প্রে করতে হবে।
২। দানাদর ইনসেকটিসাইড (ফুরাডান) মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে।

 সার ব্যবস্থাপনা

হলুদ চাষের জন্য হেক্টর প্রতি নিম্নোক্ত জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা যেতে পারে।

সারের নাম মোট পরিমাণ (কেজি) শেষ চাষের সময় প্রয়োগ (কেজি) পরবর্তী পরিচর্যা হিসেবে প্রয়োগ
১ম কিস্তি ২য় কিস্তি ৩য় কিস্তি
পঁচা গোবর ৫টন সব
ইউরিয়া ৩০৪ ১৫২ ৭৬ ৭৬
টিএসপি ২৬৭ সব
এমওপি ২৩৩ ১১৬ ৫৯ ৫৮
জিপসাম ১১০ সব

শেষ চাষের সময় সম্পূর্ণ গোবর, টিএসপি, অর্ধেক এমওপি, জিপসাম সার জমির মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। ইউরিয়া সারের অর্ধেক বীজ রোপনের ৫০ দিন পর পার্শ্ব প্রয়োগ করতে হবে। অবশিষ্ট ইউরিয়া এবং এমওপি দুই কিস্তিতে সমানভাগে বীজ রোপনের ৮০ ও ১১০ দিন পর পার্শ্ব প্রয়োগ করতে হবে। এ সময় দুই দিক থেকে মাটি উঠিয়ে দিতে হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

জাতের নাম     : বারি হলূদ-৫

বৈশিষ্ট্য : গাছের উচ্চতা প্রায় ১২০-১৩৫ সেন্টিমিটার। পাতার সংখ্যা ২৪-২৮ টি। প্রতি গোছায় মোথার সংখ্যা ৪-৬ টি। প্রতি গোছায় হলুদের ওজন ৩০০-৩৫০ গ্রাম। রং গাঢ় কমলা হলুদ এবং শুষ্ক পদার্থের পরিমাণ ২৬-৩০ ভাগ।
উপযোগী এলাকা  : বাংলাদেশের সর্বত্র
বপনের সময়  : মধ্য এপ্রিল থেকে মে মাসের প্রথম সপ্তাহ
মাড়াইয়ের সময়:  মধ্য ফেব্রুয়ারী এর শেষ সপ্তাহ
বীজ/চারার হার: ২০০০-২৪০০ কেজি/হেক্টর
বপন/ রোপনের দূরত্ব: সারি থেকে সারি ৫০ সেমি এবং গাছ থেকে গাছ ২৫ সেমি
ফলন: ২৫-৩০ টন/হেক্টর


বারি হলুদ-৫

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: 


রাইজোম রট

লিফ স্পট

লিফ ব্লচ

হলুদের রাইজোম রট, পাতায় দাগ (লিফ স্পট), লিফ ব্লচ, ইত্যাদি রোগ দেখা যায়। তবে রাইজোম রট হলুদের বেশী ক্ষতি করে।
 দমন ব্যবস্থা: 
রাইজোম রট এর ক্ষেত্রে

১। বীজ ও মাটি শোধন করতে হবে।
২। আক্রান্ত গাছ মাটি সহ উঠিয়ে গর্ত করে পুতে ফেলতে হবে
৩। আক্রান্ত গাছ পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং
৪। রোগাক্রান্ত জমি থেকে বীজ সংগ্রহ করা যাবে না।
৫। রোগের লক্ষণ দেখা গেলে ব্লাইটক্স ৫০, রিডোমিল গোল্ড ৪ গ্রাম/লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে ১৫-২০ দিন পরপর গাছের গোড়ায় স্প্রে করতে হবে।
লিফ স্পট এবং লিফ ব্লচ এর ক্ষেত্রে

১। রোগ প্রতিরোধী জাত নির্বাচন ও শস্য পর্যায় অনুসরণ করতে হবে।
২। রোগমুক্ত রাইজোম বীজ হিসাবে রোপন করতে হবে।
৩। রোপনের পূর্বে বীজ কার্বেন্ডাজিম/ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাক নাশক দ্বারা শোধন করে নিতে হবে।
৪। রোগের আক্রমন দেখা মাত্রই কপার অথবা ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাক নাশক ২ মিলি/লিটার হারে ১০-১৫ দিন অন্তর অন্তর স্প্রে করতে হবে। তবে স্প্রে করার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যে পত্রফলকের উভয় পার্শ্বে ছত্রাক নাশক যেন ভালভাবে লাগে।
৫। আক্রমণের মাত্রা তীব্র হলে প্রপিকোনাজল (স্কোর) অথবা টেবুকোনাজল (ফলিকুর) জাতীয় ছত্রাক নাশক ৭-১০ দিন পর পর ১ মিলি/ লিটার হার স্প্রে করতে হবে।

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: মাজরা পোকা ও পাতা মোড়ানো পোকা
 দমন ব্যবস্থা: 
। ম্যালাথিয়ন (২.০ মিলিলিটার/লিটার) স্প্রে করতে হবে।
২। দানাদর ইনসেকটিসাইড (ফুরাডান) মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে।

 সার ব্যবস্থাপনা

হলুদ চাষের জন্য হেক্টর প্রতি নিম্নোক্ত জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা যেতে পারে।

সারের নাম মোট পরিমাণ (কেজি) শেষ চাষের সময় প্রয়োগ (কেজি) পরবর্তী পরিচর্যা হিসেবে প্রয়োগ
১ম কিস্তি ২য় কিস্তি ৩য় কিস্তি
পঁচা গোবর ৫টন সব
ইউরিয়া ৩০৪ ১৫২ ৭৬ ৭৬
টিএসপি ২৬৭ সব
এমওপি ২৩৩ ১১৬ ৫৯ ৫৮
জিপসাম ১১০ সব

শেষ চাষের সময় সম্পূর্ণ গোবর, টিএসপি, অর্ধেক এমওপি, জিপসাম সার জমির মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। ইউরিয়া সারের অর্ধেক বীজ রোপনের ৫০ দিন পর পার্শ্ব প্রয়োগ করতে হবে। অবশিষ্ট ইউরিয়া এবং এমওপি দুই কিস্তিতে সমানভাগে বীজ রোপনের ৮০ ও ১১০ দিন পর পার্শ্ব প্রয়োগ করতে হবে। এ সময় দুই দিক থেকে মাটি উঠিয়ে দিতে হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

We will be happy to hear your thoughts

Leave a Reply

শখের কৃষি
Logo
Reset Password
Shopping cart