পাতা পেঁয়াজ

বারি পাতা পেঁয়াজ-১

বৈশিষ্ট্য :
১.সাধারন পেঁয়াজের মত বাল্ব হয় না।
২.বাল্বের স্থানে Balanced Pseudostem উৎপন্ন হয় ।
৩. Balanced Pseudostem সহ সমস্ত পাতা খাওয়া যায়।
৪.নভেম্বর পর্যন্ত ৩-৪ বার পাতা কেটে খাওয়া যায়।
৫. বীজ বা কুঁশি এর মাধ্যমে বংশবিস্তার করা যায়।
৬. Ratooning ফসল হিসেবে চাষ করা যায়।
৭. কোন রোগ বালাই নাই।
উপযোগী এলাকা  : সমগ্র বাংলাদেশ
বপনের সময়  : জানুয়ারী – মার্চ
মাড়াইয়ের সময়:
পাতাঃ নভেম্বর পর্যন্ত ৩-৪ বার
বীজঃ জুন-জুলাই
বীজ/চারার হার: 
৫-৬ কেজি বীজ/হেক্টর
৬,৫০,০০০ চারা/হেক্টর
বপন/ রোপনের দূরত্ব: ১৫ সে.মি. x ১০ সে.মি
ফলন: 
পাতাঃ ১৪-১৫ টন পাতা/হেক্টর
বীজঃ ৮০০-১০০০ কে.জি./ হেক্টর

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: পার্পল ব্লচ (Purple blotch) বা অন্য কোন রোগের তেমন আক্রমন নেই।
 দমন ব্যবস্থা: তেমন কোন রোগ-বালাই হয় না বলে কোন ছত্রাকনাশক প্রয়োজন হয় না।

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: থ্রিপস সহ অন্য কোন পোকামাকড়ের তেমন আক্রমন হয় না।
 দমন ব্যবস্থা: তেমন কোন পোকামাকড়ের আক্রমন হয় না বলে কোন কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না।

 সার ব্যবস্থাপনা

পাতা পেঁয়াজের জীবনকাল দীর্ঘ (১৫০-১৬৫) দিন। সেজন্য সারের প্রয়োজন অনেক বেশি। হেক্টর প্রতি সারের পরিমাণ ও প্রয়োগ পদ্ধতি:

সারের নাম মোট পরিমাণ (কেজি) শেষ চাষের সময় প্রয়োগ (কেজি) পরবর্তী পরিচর্যা হিসেবে প্রয়োগ
১ম কিস্তি ২য় কিস্তি ৩য় কিস্তি
গোবর ১০টন সব
টিএসপি ২৭৫ সব
এমওপি ১৫০ ৫০ ৩৪ ৩৩ ৩৩
ইউরিয়া ২৫০ ৭০ ৬০ ৬০ ৬০
জিপসাম ১১০ সব
জিংক অক্সসাইড সব
বরিক এসিড ৫.০ সব

জমিতে শেষ চাষের পূর্বে সম্পূর্ণ গোবর, টিএসপি, জিপসাম, জিংক ও বোরন সার ছিটিয়ে মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। এরপর ইউরিয়া ও এমপি সার যথাক্রমে শেষ চাষে, প্রথম কিস্তি গাছের বয়স ২৫-৩০ দিন, ২য় কিস্তির গাছের বয়স ৫০-৫৫ দিন এবং ৩য় কিস্তি গাছের বয়স ৭০-৭৫ দিন হলে উপরের ছকে উল্লেখিত পরিমাণ মত সার প্রয়োগ করতে হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

We will be happy to hear your thoughts

Leave a Reply

শখের কৃষি
Logo
Reset Password
Shopping cart