দারুচিনি

বারি দারুচিনি -১

বৈশিষ্ট্য : বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মসলা গবেষণা কেন্দ্র থেকে বারি দারুচিনি-১ নামে একটি জাত অনুমোদিত হয়েছে। দারুচিনির এ জাতটি উন্নতমানের আকর্ষনীয় বাদামী রঙের মিষ্টি গন্ধ ও ঝাঁঝযুক্ত মধ্যম পুরু (৩.৪ মি.মি.) বাকল যার আপেক্ষিক ওজন (১১.৬৭ গ্রাম/১০০ ব.সেমি.)। এদেশের আবহাওয়ার উপযোগী, খরা সহনশীল জাতটির গাছের বৃদ্ধির হার ও ফলন ভাল (৭১৪ গ্রাম/গাছ, ৩৮৫কেজি/হে.) এবং রোগবালাই এর আক্রমন কম।
উপযোগী এলাকা  : বাংলাদেশের সব এলাকায় বারি দারুচিনি-১ এর চাষ করা যায়।
বপনের সময়  : বৈশাখ থেকে আশ্বিন (এপ্রিল-অক্টোবর)তবে সেচ এর সুবিধা থালে শতিকার বাদে সারা বছর লাগানো যায়।
মাড়াইয়ের সময়:  আশ্বিন -ফাল্গুন মাস (মধ্য সেপ্টেম্বর-মধ্য মার্চ)
বীজ/চারার হার: প্রতি হেক্টরে ৮৩৩০ – ১৬৬৬০ টি চারা বা কলম
বপন/ রোপনের দূরত্ব: <br<সারি-সারি: ১=”” -=”” ১.২=”” মিটার=”” <br=””>চারা-চারা: ৬০ – ১০০ সেন্টিমিটার
ফলন: গাছ প্রতি ৩৫০-৬০০গ্রাম বা ৪০০-৬০০ কেজি বা ০.৪-০.৬ টন /হেক্টর।


বারি দারুচিনি -১

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: 
 দমন ব্যবস্থা: তেমন কোন ব্যবস্থা নিতে হয় না।

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: 
 দমন ব্যবস্থা: তেমন কোন ব্যবস্থা নিতে হয় না।

 সার ব্যবস্থাপনা

দারুচিনি গাছ সাধারণত পাহাড়ে বা বনে জঙ্গলে লাগানো হয় বিধায় এতে তেমন কোন সার প্রয়োগ করা হয় না। হবে গাছের যথাযথ বৃদ্ধির লক্ষে নিম্নক্তো মাত্রায় সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। নির্ধারিত দূরত্বে ৩০×৩০×৩০ সেন্টিমিটার প্রতি গর্তে ১-২ কেজি কম্পোস্ট বা পঁচা গোবর, ১০০ গ্রাম টিএসপি এবং ৫০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করে গর্তের উপরের মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে গর্ত ভরাট করতে হবে। ভরাট করার ১০-১৫ দিন পর চারা রোপণ করতে হবে। প্রতিটি গাছের জন্য সারের পরিমান নিম্নরুপ হবে:

গাছের বয়স গাছের প্রতি সারের পরিমাণ (গ্রাম)
গোবর/কম্পোষ্ট (কেজি) ইউরিয়া (গ্রাম) টিএসপি (গ্রাম) এমওপি (গ্রাম)
১-৩বছর ১-১.৫ ২০-৩০ ১৫-২০ ১৫-২০
৪-৭বছর ১.৫-২.০ ৩০-৪০ ২০-৩০ ২০-৩০
৮-১০বছর ২.০-২.৫ ৫০-৬০ ৩০-৪০ ৩০-৪০
১০ বা তদুর্ধ ২.৫-৩.০ ১০০ ৫০ ৫০

সবটুকু সার দুই ভাগ করে বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য ও ভাদ্র-আশ্বিন মাসে প্রয়োগ করতে হবে।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।</br<সারি-সারি:>

We will be happy to hear your thoughts

Leave a Reply

শখের কৃষি
Logo
Reset Password
Shopping cart