কালোজিরা

জাতের নাম     : বারি কালোজিরা-১

বৈশিষ্ট্য : গাছ উচ্চতায় ৫৫-৬০ সেন্টিমিটার। প্রতিটি গাছে প্রায় ২০-২৫টি ফল থাকে। ফলের ভিতরে প্রায় ৭৫-৮০ টি বীজ থাকে যার ওজন প্রায় ০.২০-০.২৭ গ্রাম। এ জাতের প্রতিটি গাছে প্রায় ৫-৭ গ্রাম বীজ হয়ে থাকে এবং ১০০০ বীজের ওজন প্রায় ৩.০০-৩.২৫ গ্রাম।
উপযোগী এলাকা  : বাংলাদেশের সর্বত্র
বপনের সময়  : কার্তিক (মধ্য অক্টোবর – মধ্য নভেম্বর)
মাড়াইয়ের সময়:  চৈত্র (মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল)
বীজ/চারার হার: ১০ কেজি/হে. (ছিটিয়ে বপনের ক্ষেত্রে), ৮ কেজি/হে. (সারিতে বপনের ক্ষেত্রে)
বপন/ রোপনের দূরত্ব: সারি-সারি ৩০ সেমি, গাছ-গাছ ৫ সেমি (চারা পাতলা করণের মাধ্যমে)
ফলন: ০.৮ -১.০ টন/হেক্টর


বারি কালোজিরা-১

 রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা

 রোগবালাই: 


গোড়া পঁচা রোগ আক্রান্ত মাঠ

গোড়া পঁচা রোগ
 দমন ব্যবস্থা: 
১. জমিতে বেশি রস থাকলে এই রোগ বেশি হয়। তাই জমিতে পরিমিত রস রাখতে হবে। কোন অবস্থাতেই জমিতে পানি বাঁধতে দেয়া যাবে না।
২. ছোট চারায় এই রোগ বেশি হয় তাই চারা যথা সময়ে পাতলা করে দিতে হবে।
৩. রোগের প্রাদূরভাব দেখা দিলে কার্বেনডাজিম (অটোস্টিন ৫০ ডব্লিউ ডি জি) প্রতি লিটারে ২ গ্রাম হারে ৭ দিন পর পর ৩-৪ বার গাছের গোড়ায় স্প্রে করতে হবে।

 পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা

 পোকামাকড়: তেমন একটা আক্রমন দেখা যায় না।
 দমন ব্যবস্থা: 

 সার ব্যবস্থাপনা

কালোজিরা চাষের জন্য প্রতি হেক্টর নিম্নোক্ত হারে সার প্রয়োগ করতে হবে।

সারের নাম মোট পরিমাণ (কেজি) শেষ চাষের সময় প্রয়োগ (কেজি) পরবর্তী পরিচর্যা হিসেবে প্রয়োগ
১ম কিস্তি ২য় কিস্তি
গোবর ৫টন সব
ইউরিয়া ১২৫কেজি ৬০ ৬২
টিএসপি ৯৫কেজি সব
এমওপি ৭৫কেজি সব

সম্পূর্ন পঁচা গোবর সার জমি চাষের সময় দিতে হয়। অর্ধেক পরিমাণ ইউরিয়া, সস্পূর্ন পরিমাণ টিএসপি এবং এমপি সার শেষ চাষের আগে জমিতে ছিটিয়ে ভালভাবে মাটিতে মিশিয়ে দিতে হয়। অবশিষ্ট ইউরিয়া সার বীজ বপনের ৩০-৪০ দিন পরে উপরি প্রয়োগ করতে হয়। আগাছা নিড়ানোর পর সার প্রয়োগ করতে হয়। মাটিতে প্রয়োজনীয় রস না থাকলে সার উপরি প্রয়োগের পর পরই সেচ দেয়া ভাল।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

We will be happy to hear your thoughts

Leave a Reply

শখের কৃষি
Logo
Reset Password
Shopping cart